সুখ দাও ভগবান


তুমি কেমন মানুষ ?

- "তুমি কেমন মানুষ ?"

- "বিশ্বাসযোগ্য নই । কেউ আমাকে বিশ্বাস করলে ঠকবে ।" 

- "বিশ্বাস করে টাকা গচ্ছিত রাখলে মেরে দেবে ?"

- "না, তা করব না, তবে খরচ করে ফেলব । চাইলে বলব, কয়েক দিন অপেক্ষা করো tiভাই । বিপদে পড়ে খরচ করে ফেলেছি । এই ঋণ শোধ হতেও পারে, নাও পারে । অর্থ আর নারী এই দুটো ব্যাপারে এখনও স্বাবলম্বী হতে পারিনি । যদি কেউ মনে করে থাকেন বিপদে তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়াব, তা হলে খুব ভুল করবেন । এই সব ব্যাপারে আমি আমার বউয়ের নির্দেশে চলি । ৩৬এই পৃথিবীর হিসেব-নিকেশ সে যেমন বোঝে আমি তার কিছুই বুঝি না । ভীষণ প্র্যাকটিক্যাল । উকিলের মেয়ে । ওর ব্লাডে ব্লাডে বুদ্ধি ।"

(p. ৩৬)

আমার প্রচুর টাকা

"আমার প্রচুর টাকা । বীভৎস রকমের টাকার মালিক । বাড়িখানা যেন ইন্দ্রপুরী । বাড়িতে ঢোকার সময় নিজেই অবাক হয়ে যাই । কী ছোটলোকের মতো ব্যাপার । এ-পাশে, ও-পাশে মানুষ অনাহারে, অর্ধাহারে ধুঁকছে, মরে যাচ্ছে বলব না, অনর্থক বিতর্কের সৃষ্টি হবে । আমার ক্ষতি হয়ে যেতে পারে । 'গুড বুক' থেকে 'ব্যাড বুকে' চলে যেতে কতক্ষণ । বাড়িটার পিছনে লোকটা লাখ পঞ্চাশ টাকা ঢুকিয়ে দিয়েছে ইতরের মতো । অর্থের অসভ্য নির্লজ্জ প্রদর্শনী ।"

- "আরে লোকটা তো তুমি !"

- "তাও তো বটে ।"

(p. ১৯)

গুরু, গুরুর গুরু, মহাগুরু

"আমার টাকা আছে, মোটা টাকা 'ডোনেশন' দিয়ে ছেলেকে নামী স্কুলে ভর্তি করেছি, ব্যাটা মাস্টারের এত বড় আস্পর্ধা, আমার সোনার চাঁদের গায়ে হাত তুলেছে । দেখাচ্ছি মজা ! এই কে আছিস?" 

"ইয়েস স্যার ।"

"আমার উকিল ভোলাকে ডাক ।" 

"আবার কি হল?" 

"একটা ফাইভ ফিফটি ফাইভ, ফৌজদারি ঠুকে দাও ।" 

"কেসটা কি ?"

"আমার ছেলের গায়ে হাত তুলেছে এক ব্যাটা পাতি মাস্টার । আমার ছেলে সিগারেট খাক, বিস্কুট খাক, মদ খাক, জুয়া খেলুক, তাতে মাস্টার নাক গলায় কোন সাহসে ।"

"ঠিকই তো, ঠিকই তো ! আগে একটা 'এফআইআর' মেরে আসি ।"

"ছেলেকে স্কুলে পাঠালেন, মাস্টারমশাই শিক্ষা দেবেন না ?" 

"না ।" 

"তাহলে তাঁরা কী করবেন ?" 

"মাস্টাররা মাস্টারদের দিকে মাস্টারদের মতো থাকবে, ছেলেরা ছেলেদের দিকে । কোনওরকম হস্তপ্রয়োগ চলবে না । গুণ্ডা মেরে ঝাণ্ডা উড়িয়ে সব শেষ করে দেব । পাঠশালার যুগ শেষ ।"

"ছেলের ডিগ্রি, ডিপ্লোমার কী হবে ?"

"কিনে আনব । টাকা ফেললে তিনদিনের মধ্যে মাল এসে যাবে । আজকাল নোবেল প্রাইজও কিনতে পাওয়া যায় ।" 

                          হাজত দৃশ্য 

পকেটমার : "কি করেছিলে গুরু ? চেহারা দেখে তো ভদ্দরলোক বলেই মনে হচ্ছে ?" 

শিক্ষক : "আমি শিক্ষক ।" 

পকেটমার : "সে তো গুরুর গুরু । শিক্ষাগুরুরা তো আমার গুরুর চেয়েও বড় । জাল মার্কশিট, জাল ডিগ্রি, প্রশ্নপত্র ফাঁস, পদক পাণ্ডুলিপি চুরি, স্কুল তহবিল হাপিস, ছাত্রীকে রেপ । গুরু, গুরু । তা তোমার ডিগ্রি কোত্থেকে কিনেছিলে ? শিকাগো ? দেখো আমি পকেট মেরে হাজতে, আর তুমি ডিগ্রী ঝেপে আমার পাশে । লাও একটা বিড়ি ধরো ।" 

শিক্ষক : "বিড়ি খাই না ।" 

পকেটমার : "আরো উপরে উঠে গেছ ? গাঁজায় আছ বুঝি ?" 

শিক্ষক : "না গোঁজায় আছি ।" 

পকেটমার : "আহা । গোঁসা করছ কেন ? কেসটা কী ?" 

শিক্ষক : "ক্লাস সেভেনের ছেলে তাসের জুয়া খেলছিল, ধরে, ঠাস করে এক চড়, হাজতে ।"

পকেটমার : "অমানুষের দেশে মানুষ তৈরি করতে গেছ । হা, হা, তুমি কেমন অমানুষ হে ?" 

শিক্ষক : "তোমার মতে আর কী করা উচিত?"

পকেটমার : "আমি আর কী বলব স্যার, আপনি শেয়াল পণ্ডিতের কাছে যান । গুরুর গুরু মহাগুরু ... " 

(p. ২০-২১)

সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় সুখ দাও ভগবান (দে'জ পাবলিশিং), ISBN-81-295-0256-9; ১৭৬ pages, দাম : ৮০ টাকা

[I used the Google (? maybe not) speech-to-text app "বাংলা ভয়েস টাইপিং (Bengali Voice Typing)" downloaded from Play Store. - G] 

তোমরা কোথায় চললে ?

ঘরে ঘরে দিন-রাত দাঙ্গা-হাঙ্গামা, খুনখারাপি । চুল এলিয়ে কোমর দুলিয়ে বিবসনাদের নাচ । পাশের ঘরে গলা টিপে খুন । তার পাশের ঘরেই আগুন । তার পাশের ঘরে প্রেম । তার পাশের ঘরেই রেপ ।

চরিত্ররা সব ছড়িয়ে পড়েছে সারা বাংলায় । রাত্তির বেলা সব নাচতে নাচতে চলেছে ।

*

"কোথায় চললে বাবাসকল ?"

"কাকাবাবু নিদ্রা আসছে না বুঝি ? আমরা ডাকাতি করতে যাচ্ছি ।"

*

"তোমরা কোথায় চললে ?"

"মেসোমশাই, দু'বোতল টানার পর মেজাজ এসে গেল, যাই, একটা মেয়েকে তুলে কলেজের মাঠে রেপ করে নর্দমায় ফেলে দিয়ে আসি ।"

"সে কী?"

"চমকে উঠলেন ? ঝালমুড়ি খাওয়ার পর ঠোঙাটা কোথায় ফেলে?" 

"টা টা ।" 

*

"তোমরা কোথায় চললে ?" 

"শ্রেণি সংগ্রামে । ওই দোকান বন্ধ করে বেরোবে, গোটাকতক পাম্প করে দোবো ।" 

"পাম্প মানে ?"

"বুলেট পুরে দেবো ।" 

"মরে যাবে যে ।" 

"ও অনেক দিন বেঁচেছে, এইবার একটু রেস্ট করুক !" 

*

"তোমরা চললে কোথায়?" 

"আজ্ঞে প্রোমোটার শিকার করতে ।" 

*

ত্রাসের পরে এসে গিয়েছে সন্ত্রাস । সেটা কী ? পাইকিরি দরে মানুষ মারা । 

"কেন ভাই ?" 

"সব শ্মশান করে দেবো ।"

"আপনারা কী করছেন ?"

"কেন মাইলের পর মাইল বক্তৃতা । তারপর bandh बंद ‌। তারপর bandh बंद বন্ধ করার জন্যে এলাহি ব্যবস্থা ।" 

"তারপর ?" 

"রাত্তির বেলা bandh/बंद অসফল করার জন্যে ধন্যবাদ জানাচ্ছি । আমরা bandh/बंद করার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি ।"

"আপনারা কারা ?" 

"কেন ? কেন ? আমরা শাসন করি ।"

"আর, আমরা শাসনের বিরোধিতা করি ।" 

"রেজাল্ট ?"

"গলাবাজি ভার্সাস গলাবাজি । মার [Mary] আর মারি [Mary] । মারামারি [Mary Mary] ।"

"দেশ ?"

"ও বাবা ! সেকেলে বুড়োটা সেন্টিমেন্টের কথা বলছে । ও মশাই, দেশ আবার কী ? বলুন, সন্দেশ - কড়াপাক, নরমপাক, কাঁচাগোল্লা, মাখা ।"

(p. ৫২-৫৩)

ফরে ফরে !

"আমার পিসেমশাইয়ের নাম ছিল হরি । আমার পিসিমা স্বামীর নাম নিত না । খঞ্জনি বাজিয়ে মহানাম করতেন ফরে কৃষ্ণ, ফরে কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ ফরে ফরে ।" 

(৬০)

[Hindu wives and widows DID NOT utter the names of their existing or late husbands, but some MODERN Hindu wives and widows do so, imitating WESTERN wives and widows. - G] 

খঞ্জনি = চামড়া দিয়ে একমুখ-ঢাকা এবং করতাল-লাগানো ছোট গোলাকার বাদ্যয়ন্ত্রবিশেষ । (Google)

খঞ্জনি = tambourine (DEV'S STUDENTS'' FAVOURITE DICTIONARY: BENGALI TO ENGLISH, DEV SAHITYA KUTIR)

tambourine = খঞ্জনি = a shallow drum with one skin and bells or jingles (DEV'S STUDENTS' FAVOURITE DICTIONARY: ENGLISH TO BENGALI & ENGLISH, DEV SAHITYA KUTIR)

প্রশ্ন উত্তর Q & A

Q. সিরিয়েল কাকে বলে ?

A. বাজনা বাজিয়ে মেয়েদের ঝগড়াকে

Q. সংসার কাকে বলে ?

A. বউকে বাগ মানানোর ব্যর্থ চেষ্টাকে

Q. শিশুরা কী করে ?

A. পাকা পাকা কথা বলে আর কেবল খায়, চিপস, লজেনস, পানীয়, আইসক্রিম ।

Q. মেয়েরা কী করে ?

 A. চুলে শ্যাম্পু, শরীরে সাবান ।

Q. বাজার আর রাঁধুনি ছাড়া রান্না কোথায় হয় ?

A. টিভিতে ।

Q. কে খায় ? 

A. কেউ খায় না । দেখে ।

Q. ভারতীয় ক্রিকেট টিম কোথায় ভাল খেলে ?

A. বিজ্ঞাপনে । 

Q. শ্রেষ্ঠ কর্তব্য কী ?

A. প্রেম করা । 

Q. সঙ্গীত কাকে বলে ?

A. হাতে মাইক, হাঁটুতে আর্থারাইটিস, একটা সেটে পা মেপে মেপে ঘোরাঘুরি ।

Q. ঈশ্বর কে ?

A. সেল ফোন

(p. ৫৮)

মেয়েদের পায়ের তলায় পুরুষ-পাপোশ 

"মা ! হয় শান্তি দাও, না হয় দড়ি দাও ।"

মন্দির থেকে বেরিয়ে এসে ঠ্যাং করে ঝোলা ঘন্টা একবার বাজালেন ।

"কী হল আশু ? কী চাইলে ? অত জোরে ঘন্টা ?"

"মায়ের পিলে চমকে দিলুম ।"

"কারণ ?"

"অনেকদিন বেদিতে বসে আছেন, জিভ বের করে, মালা পরে, কোনও কাজ করছেন না । খালি সেবা নিচ্ছেন । প্রণামী বাক্স টাইট । একটা টাকা ঠেলে ঠুলে হেলে ঢোকাতে গেলুম । ঢুকল না । আজ আমার জন্মদিন ।"

"জন্মদিনে মাকে এক টাকা প্রণামী ? একটাকা আজকাল ভিখিরিরাও ছুড়ে ফেলে দেয় ।"

"মা তো refuse করেননি । করেছে কাঠের বাক্স । মা আমার অবস্থা জানেন । মায়ের উচিত রোজ খবরের কাগজ পড়া ।"

"মা তো আর নিজে পড়বেন না, তুমিই একটা সময় করে রোজ এসে পড়ে শুনিও ।"

"ভাবছি তাই করব । ওই একঘেয়ে চন্ডী, গীতা, ভাগবত শুনলে দেশের প্রকৃত অবস্থা বুঝতে পারবেন না । Communication gap হচ্ছে, সেই কারণেই চারিদিকে এত অনাচার, অবিচার । রোজ সকালে ময়ের চা খাওয়া হয়ে যাওয়ার পরই মায়ের মূর্তির পিছন দিকে বসে জোরে জোরে সংবাদপত্র পাঠ করব । আমারও পড়া হবে, মায়েরও শোনা হবে ।"

"কি কাগজ পড়বে ? বাংলা না ইংরেজি ?"

"মা কালী বাঙালি, তাঁঁকে বাংলা কাগজই শোনাব ।" 

"কোন কাগজ ? বাজারি কাগজ না পার্টির কাগজ ?"

"যে কাগজের circulation সবচেয়ে বেশি, সেই কাগজ ।"

"সম্পাদকীয় পড়বে ?"

"না, তা হলে মা influenced হয়ে যাবেন । স্রেফ টাটকা নিউজ ।"

"Sports page?"

"Sports মানেই তো cricket । ও শুনিয়ে লাভ নেই । যদি কোনওদিন খেলতে পারে - ভারত জিতবে ।"

"না, Australiaকে যদি একটু weak করে দেওয়া যায় ।"

"শোনো, তোমার মালকড়ি অনেক আছে, ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ, ডিনার । ব্যাট-বল নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছ ।  আমার ছেলেটা পাস করে বসে আছে, নো চাকরি । এক পকেট প্রেমপত্র । শেষে desperate হয়ে যদি 'রেজিস্ট্রি' করে ফেলে,  তা হলে আমার অবস্থাটা কী দাঁড়াবে ভেবে দেখেছ ?" 

"তুমি পরিষ্কার বলে দাও, 'ফার্স্ট চাকরি দেন বিয়ে' ।"

"সে-কথা বলার মুখ নেই আমার, আমি 'bachelor' হলে বলতে পারতুম । নিজে বিয়ে করে অন্যকে কেমন করে বলি, তুমি বিয়ে কোরো না ।"

"তুমি বিয়ে না করলে তোমার ছেলেও হত না, বলার প্রয়োজনও হত না ।"

"অ্যায় ! ঠিক বলেছ । বিয়ের একটা মস্ত 'defect' - এই 'issue' । দুই থেকে তিন, তিন থেকে চার । মজাটা কী বল তো মজাটা কি বলতো ? 'এক' থেকে জগৎ শুরু, 'দুই' থেকে সংসার ।"

"একালে প্রেমটা খুব বেড়ে গেছে । ম্যালেরিয়ার মতো । কেঁপে কেঁপে আসছে । ভটভটিয়ে আসছে ।" 

"ভটভটিয়ে আসছে মানে ?"

"প্রেম হল মোটর সাইকেল । সামনে একটা ছেলে, ভুঁড়ি আঁকড়ে পেছনে শ্যালোয়ার কামিজ পরা একটা মেয়ে । ভটভটিয়ে প্রেম  চলছে । কিছুদিন দু'জনের মাঝখানে আর একজন; যেন দু' 'পিস' রুটির মাঝখানে মাখন । পুরোটাই হল গিয়ে তোমার balancing game' । একটু এদিক-ওদিক হলেই ছিটকে চিৎপাত ।"

"তা হলে বুঝলে, সংসারের অপর নাম চিৎপাত ।"

"ওই তো, মায়ের দিকে তাকিয়ে দেখ । সংসার চিত্র । শিব চিৎপাত, বুকের ওপর নৃত্য করছেন, সংসার খাঁড়া দিয়ে কাটছেন, চুলের মুঠি ধরে 'হ্যাণ্ড ব্যাগের' মতো পুরুষের মুণ্ডু ঝুলিয়ে রেখেছেন । মায়ের পক্ষপাতিত্বটা একবার দ্যাখো । পুরুষ বিদ্বেষী । হাতের মুণ্ডুটা স্ত্রীলোকের হলে ধরতে সুবিধে হত । বড় বড় চুল পেয়ে যেতেন । মা যে ! মেয়েদের মারবেন না । মেয়েদের পায়ের তলায় পুরুষ-পাপোশ ।"

(p. ৬১-৬৩)

জগতের মা

"এ কেমন মা ?"

"তুমি জানো না ? মন্দিরে আছে মানুষের মায়ের মূর্তি । ওরা বলে জগদম্বা বলে, মা ভবতারিণী ।  চেহারাটা দেখেছ ? আমাদের চেয়ে কালো ।এতখানি জিভ সামনে ঝুলছে, টকটকে লালচোখ দুটো দগদগে লাল । পুরোহিত বলেন, মা, রুধির (রক্ত blood) পান করেছেন । একজন পুরুষ পায়ের তলায় চিত হয়ে পড়ে আছেন । শুনলুম, ওই মায়ের স্বামী । পতিদেবতাকে পা দিয়ে চেপে রেখেছেন জগতের মা ।"

"অমন বিয়ে না করলেই হত ।"

"কি করবে ? প্রেমের ফল । পুরোহিত বললেন, ওই পুরুষটি সব পুরুষের প্রতিনিধি । পায়ের তলায় চেপে ধরে আছেন বলেই শিব । ওই ভাবে পড়ে থাকলেই জগতের মঙ্গলউঠে দাঁড়ালেই কেলেঙ্কারি, তখন রুদ্র । মায়ের এক হাতে খাঁড়াধার আছে বোঝাবার জন্যে একটা মুুণ্ডু (CUT OFF HEAD) কেটে বাঁধাকপির মতো হাতে ঝুলিয়ে রেখেছেন । অপর দুটো হাতের ভঙ্গিতে ওরা দেখছে অভয় আর বরাভয়আমি দেখলুম, টাটা গুডবাইকানে শুনলুম, মানুষের মায়ের কাছে মৃত্যু ছাড়া কিছু চাস না ।"

(p. ১৮)

[I used the Bengali Voicepad speech to text app/Free Toolz/YouTube, an excellent app I downloaded from Play Store.] 

f. কালী = f. "মমতা" Kol.  কালীঘাট 

f. Krishna = f. Ass. JMB T.N. ?

Fucking Nazi rapist শঙ্খাসুর শঙ্খ অসুর and his fucking gang of Nazi rapists and equally evil Nazi gang of fucked শঙ্খ wearers.

The entire gang of evil human-looking Nazi FUCKING "gods" and "goddesses" will SOON become EXTINCT.

LASER can burn all of them alive at any time.

Kishalay Sinha কিশলয় সিনহা जी [G] 
November 13, 2021

Satan is scared of God 

The Narcissist [Satan] Will Forever Watch the Super Empath [God] (9:07) / North of the Fray (YouTube)

Kishalay Sinha কিশলয় সিনহা जी [G] 
November 13, 2021



Comments

Popular posts from this blog

FUNNY CHANNEL

Holistic - संयम সংযম