Kunti Cunti Koonti কুন্তী कुन्ती
Kunti Cunti Koonti কুন্তী कुन्ती
"!!*হরে কৃষ্ণ*!! "।মহারাণী কুন্তিদেবী বা পৃথা।" .*****-*****-.-#-.-*****-*****. (যা পাঠে মন পবিত্র হয়)
"অহল্যা, দ্রৌপদী, কুন্তি, তারা, মন্দোদরী তথা।
পঞ্চ কন্যাং স্মরেন্নিত্যং মহাপাতক নাশনম্।।"
@ অহল্যা, দ্রৌপদী, কুন্তি, তারা ও মন্দোদরী এই পঞ্চ কন্যার নিত্য স্মরণে মহাপাপ নাশ হয়।
# উদ্ধৃত শ্লোকে এই কথাই বলা হয়েছে। এখন প্রশ্ন উঠতে পারে, এই শ্লোকে কুন্তীর অন্তর্ভুক্তি নিয়ে। এ প্রসঙ্গে আলোচনা করার আগে আমরা শ্রীমদ্ভাগবতে উল্লিখিত মহারানী কুন্তীর মুখে গোবিন্দের স্তুতিটি শুনে নেই। কি অনবদ্য মর্মস্পর্শী ভাষায় কুন্তী দেবী গোবিন্দের স্তুতি করেছিলেন, শুনলে ভক্ত মাত্রেরই মন রোমাঞ্চ হয়। স্রীমদ্ভাগবতে এইভাবে উল্লিখিত আছে- :> কন্ত্যুবাচ্য (কুন্তী বললেন)– "নমস্যে পুরুষং ত্বামাদ্যমীশ্বরং প্রকৃতেঃ পরম্। অলক্ষ্যং সর্ব ভূতানামন্তর্বহিরবস্থিতম্।।" * "কৃষ্ণায় বাসুদেবায় দেবকী নন্দনায় চ। নন্দ গোপকুমারায় গোবিন্দায় নমোনমঃ।।" * "বিপদঃ সন্তু নঃ শশ্বত্তত্র তত্র জগদগুরো ভবতো দর্শনম্। যৎ স্যাদ পুনর্ভবদর্শনম্।।" * "নমোহকিঞ্চন বিতায় নিবৃত্তগুণবৃত্তয়ে। ত্বামাত্মরামায় শান্তায় কৈবল্যপতয়ে নমঃ।।" @ সংক্ষেপে ভাবানুবাদ:- সর্বজীবের অন্তর বাহিরে অলক্ষ্যচারী ইন্দ্রিয়াতীত আদ্যপুরুষ হে ঈশ্বর, হে কৃষ্ণ, হে গোবিন্দ, হে দরিদ্রের সম্পদ! তোমাকে পুনঃ পুনঃ নমস্কার। বিপদ আমদের চিরস্থায়ী হোক, আর হোক তোমার ভূয়োদর্শন, যার ফলে হবে এ ভবের চির অদর্শন। # গোবিন্দের এই স্তুতিতেই কুন্তীচরিত্রের অলোকসামান্য মহিমা ফুটে উঠেছে। কুন্তীচরিত্রের অন্যান্য দিকে আলোকপাত না করে শুধু এই স্তুতির আলোকে দেখলেই বোঝা যায়, কুন্তী কী মহিমময়ী নারী। কৃষ্ণের প্রতি গভীর ভালোবাসার কাছে রাজৈশ্বর্যপ্রীতি তুচ্ছ হয়ে গেছে। কৃষ্ণের প্রতি গভীর প্রেমবশত বিপদকে চিরসঙ্গী করে নিতে তাঁর কোন কুণ্ঠা নেই। তিনি প্রার্থনা করেছেন, বিপদ থাকুক। কেনোনা, বিপদ থাকলেই কৃষ্ণ থাকবেন। যখনই বিপদ দেখা দেবে, তখনই বিপদভঞ্জন গোবিন্দের আবির্ভাব হবে। তাঁর জীবনে বিপদ অজস্র এসেছে, গোবিন্দের আবির্ভাবও অজস্র বার হয়েছে। তাই তাঁর স্থির বিশ্বাস জন্মেছে, বিপদ দর্শনের সাথে সাথে গোবিন্দের দুর্লভ দর্শন অবশ্যম্ভাবী। এভাবে পুনঃ পুনঃ গোবিন্দ দর্শনের ফলে, এ সংসার দর্শন আর হবে না। হবে চিরমুক্তি। এই বিশ্বাসের বশবর্তী হয়েই কুন্তী গোবিন্দের নিত্যসাহচর্য কামনা করে দুঃখ-দৈনকে আলিঙ্গন করতে চেয়েছেন। তাই গোবিন্দকে ‘অকিঞ্চন বিত্ত’ বলে সম্বোধন করেছেন। অকিঞ্চন যার কিছু নেই, তাঁর বিত্ত(ঐশ্বর্য) স্বয়ং গোবিন্দ। # মহারাণী পাণ্ডবজননী কুন্তীর মহিমমিয়ত্বের রহস্য এখানেই নিহিত আছে। তাঁর বিরুদ্ধে উচ্চারিত সমস্ত অপবাদ কুৎসাকে ছাপিয়ে তাঁর অকিঞ্চন বিত্ত গোবিন্দ প্রীতি তাঁকে মহারণী থেকে মহাদেবীতে উন্নীত করেছে। এবার কুন্তী চরিত্রের অন্যান্য দিকগুলির দিকে দৃষ্টিপাত করে সামাজিক দৃষ্টিতে কুন্তীর অবস্থানটা পর্যালোচনা করা যাক। # শুধু এ যুগেই নয়, সুদূর মহাভারতের যুগেও সামাজিক দৃষ্টিতে কুন্তীর চরিত্র নিন্দনীয় ছিলো। একথা সকলেরই জানা যে, কুন্তী কানীন পুত্র কর্ণের জননী। কন্যা অবস্থায় সন্তান ধারণ এ যুগের মতো সে যুগেও একই রকম নিন্দনীয় ছিলো। খুব স্বাভাবিক ভাবে প্রশ্ন ওঠে, সামাজিক দৃষ্টিতে নিন্দার পাত্র কোনো ব্যক্তির স্মরণে কেনো মহাপাপ নাশ হবে। এ প্রশ্নের উত্তর খুব সতর্ক ভাবে দিতে হবে। # প্রথমে জানা দরকার, কে এই কুন্তী। কুন্তী হচ্ছেন স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণের পিতা বসুদেবের ভগিনী। অতএব শ্রীকৃষ্ণের পিসিমা। ইনি ভোজরাজের কন্যা এবং কুরুরাজ পাণ্ডুর পত্নী। যুধিষ্ঠিরাদি পাণ্ডবগণের গর্ভধারিণী। কর্ণের গর্ভধারিণী হলেও তা ছিলো অপ্রকাশিত। কুন্তী কিভাবে কানীন পুত্রের জননী হলেন, এ প্রশ্নের উত্তর অনুসন্ধেয়। দেখা যাক কুন্তীর কন্যাকালে কি ঘটনা ঘটেছিলো। # শ্রীকৃষ্ণের পিতামহ শূর যাদব। তাঁর কন্যা পৃথা বা কুন্তী। শূর তাঁর পিসতুতো ভাই রাজা কুন্তীভোজকে নিঃসন্তান দেখে করুণাপরবশ হয়ে তাঁর হাতে পৃথাকে সমর্পণ করলেন। পৃথাকে তিনি কন্যার মতো পালন করেন। পরে কিশোরী বয়সে তাঁর ওপর অতিথি সৎকারের ভার অর্পণ করেন। পৃথা অত্যন্ত নিষ্ঠা সহকারে অতিথিসেবা করতে থাকলেন। মহর্ষি দুর্বাসা তাঁর সেবায় তুষ্ট হয়ে, স্বেচ্ছায় তাঁকে একটি মন্ত্রদান করেন। মন্ত্রের বৈশিষ্ট্য হলো, যে দেবতাকে স্মরণ করে ঐ মন্ত্রজপ করা হবে, সেই দেবতা তৎক্ষণাৎ জপকারীর সম্মুখে আবির্ভূত হবেন। অনভিজ্ঞা বালিকা কৌতূহলী হয়ে মন্ত্রশক্তি পরীক্ষা করে দেখার জন্য সূর্যদেবতাকে স্মরণ করলেন। সূর্যদেব তৎক্ষণাৎ আবির্ভূত হলেন। বালিকা হলেও তাঁর বুঝতে অসুবিধা হলো না যে, কিছু একটা অঘটন ঘটতে চলেছে। তিনি সূর্যদেবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলেন। তিনি বললেন যে, তিনি বালিকা, কোনো অপকর্ম করলে সংসারে তাঁর অপযশ রটবে। কিন্তু সূর্যদেব তাঁকে আশ্বস্ত করে তাঁর গর্ভে সন্তান স্থাপন করে গেলেন। কর্ণের জন্ম হলো। # এ ঘটনায় কুন্তীর দোষ কোথায়? এক অবোধ বালিকাকে মহর্ষি বর দিলেন একটি মন্ত্র দিয়ে, যা জপ করলে দেবতার আবির্ভাব ঘটবে।" https://m.facebook.com/841963322524060/posts/2132891213431258/?refsrc=https%3A%2F%2Fm.facebook.com%2F841963322524060%2Fposts%2F%25E0%25A6%25B9%25E0%25A6%25B0%25E0%25A7%2587-%25E0%25A6%2595%25E0%25A7%2583%25E0%25A6%25B7%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25A3%25E0%25A6%25AE%25E0%25A6%25B9%25E0%25A6%25BE%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25BE%25E0%25A6%25A3%25E0%25A7%2580-%25E0%25A6%2595%25E0%25A7%2581%25E0%25A6%25A8%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25A4%25E0%25A6%25BF%25E0%25A6%25A6%25E0%25A7%2587%25E0%25A6%25AC%25E0%25A7%2580-%25E0%25A6%25AC%25E0%25A6%25BE-%25E0%25A6%25AA%25E0%25A7%2583%25E0%25A6%25A5%25E0%25A6%25BE-%25E0%25A6%25AF%25E0%25A6%25BE-%25E0%25A6%25AA%25E0%25A6%25BE%25E0%25A6%25A0%25E0%25A7%2587-%25E0%25A6%25AE%25E0%25A6%25A8-%25E0%25A6%25AA%25E0%25A6%25AC%25E0%25A6%25BF%25E0%25A6%25A4%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25B0-%25E0%25A6%25B9%25E0%25A7%259F-%25E0%25A6%2585%25E0%25A6%25B9%25E0%25A6%25B2%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25AF%25E0%25A6%25BE-%25E0%25A6%25A6%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25B0%25E0%25A7%258C%25E0%25A6%25AA%25E0%25A6%25A6%25E0%25A7%2580-%25E0%25A6%2595%25E0%25A7%2581%25E0%25A6%25A8%25E0%25A7%258D%25E0%25A6%25A4%25E0%25A6%25BF-%25E0%25A6%25A4%2F2132891213431258%2F&_rdr
(Google)
Comments
Post a Comment